একটি আভাঁ গার্দ গল্প : মলয় রায়চৌধুরী

ভাবসো আমি কিছু বুগিনা? আমি খুব মিউমিউ কইরা কইলাম, ভাবি গো ছয় দিন হইলো বিছনায় পইড়া আছি। ওষুধ চলে, খুব ঘুম আসে, ঘুম আইলেই ভাইঙ্গা যায় পাখপাখালির আওয়াজে।তুই আর নেই!!!!ভাবতেই পারছি না, কি থেকে কি হল রে, অভিমান ছিল জানি। এই তো সেদিনও কথা হোলো, বাড়ি করবি বলছিলি, তাই বলে এমন জায়গায় বাড়ি করলি রে দীপান্বিতা… সবসময় হাসিমুখটা খুব মনে পড়ছে রে, মন তোর জন্য ভালো নেই।বেসিক্যালি আপনার কোনো বন্ধু নেই। আপনি পেঁচার মতো মুখ করে থাকলেও কেউ বিশ্রীরকম জোক করে আপনাকে জ্বালাতন করার নেই। স্কুলের বন্ধুদের যারা নাগালে আছে তাদের ফোন রিঙ হয়ে যাবে। পকেটে তিরিশটাকা পড়ে থাকবে যা দিয়ে একটা নিপও হয় না। অনেক ভেবে পুরোনো এক নেশাখোর কে ফোন করলে দেখবেন সে অসুস্থ এবং তার মা ফোন রিসিভ করে আপনার কুশল সংবাদ নিচ্ছে। পৃথিবীর যাবতীয় বন্ধু ভাবাপন্ন সম্পর্ক গুলো সময়ের সাপেক্ষে বদলে গেছে। এবং আপনার একমাত্র বন্ধু, আপনার প্রেমিক ড্যাং ড্যাং করে অনুমতির তোয়াক্কা না করেই মরে গেছে। এবং আপনি ঠিক বুঝতে পারছেন না আপনি ঠিক কী কেশোৎপাটিত করছেন। তাকে বলে বাঁশ। সবকা বাপ। এই সময়ে ঘরে কিচ্ছু নেই। না মদ, না তামাক, না ওষুধ ;যেখানে থাকিস ভালো থাকিস রে….দীপু.. বেশি না খালি সালাউদ্দিনরে সরায়া আর ৪০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ কইরা (স্টেডিয়াম ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মান, কোচ প্রশিক্ষন, বিজ্ঞাপন আর বিপনন) খেলাটারে বিলিয়ন ডলার ব্যবসার জায়গা বানানো যায়। তাও মাত্র পাচ বছরে। পরিমান মত রান্নায় স্বাদ হয় বেশ, মহাকাব্যে আছে অতিদর্পে শেষ।ক্লাব ফুটবলে চল্লিশটা দলকে অনুদান (স্বল্প সুদে ঋণ, শেয়ার বিক্রি) দেন। হিড়িম্বা মন্দির ।ভালো লাগলো,হিড়িম্বা অর্থাৎ মহাভারতের ভীমসেনের ঘরনির নামে মন্দির আছে।অন্য কাস্টের হওয়ার দরুণ মা কুন্তী তাঁকে পরিবারে ঠাঁই দেননি,ঘটৎকচ যুদ্ধে প্রাণ দিলেন,বংশের পুত্র।নিঃসঙ্গ হিড়িম্বার স্মৃতি চিন্হ দেখে সত্যি ভালো লাগলো।কড়া অডিটের ব্যবস্থা করেন যাতে টাকা মাইরা যাইতে না পারে।ধরেন গিয়া, এতো ইস্যু, ঘটনা, দুর্ঘটনা, প্রায় সবকিছু এড়াইয়া, তাকডুম-বাগডুম করি! তো ক্যান করি তাকডুম-বাগডুম! হ হালকা স্বভাবের মানুষ আমি! হা হা হি হি লইয়া আছি! ‘অথচ্চো’ আপ্নেরা দেণ উদ্ধার করিতেছেন (কতিপয়), খুউব ‘সিরিকাস’ স্বভাব আপনোগো, তো ঘটনা হইলো গিয়া, বাচ্চাগো মতো হইয়া, বাচ্চাদের মতো কইরা, একটা দুইটা গান, কবিতা, ছড়া কইরেন দেহি, ক্যামন লাগে! সহজ কইরে সহজ সুরে দুই একখান গান কইরালান দেহি! একেকজন একেক পরিবেশে একেকরকম আচরণ করে। আমি বাচ্চাদের সাথে বাচ্চা, সিরিয়াস ইস্যুতে সিরিয়াস! তবে ফেসবুকিয় দেশপ্রেমের সয়লাব প্রবণতায় বেশিরভাগ ইস্যু থেকে দূরে থাকি এখন! শিশুদের জন্য মননশীল কাজ করাও গুরুত্বহীন নয়! আমি জানি আমি কী! ধন্যবাদ। ফেডারেশনটারে জুয়ারিদের হাত থেকে রক্ষা করে প্রকৃত সংগঠকদের হাতে দেন। বাইরের খেলোয়ার, কোচ, ফিজিও আনেন।আমার বোন আমাকে বলে ‘ তুমি এত সংক্ষেপে এক দুই লাইনের মধ্যে কথা শেষ করো না। তুমি কী বলতে চাইছো, তা অনেকে বুঝতে পারে না। তুমি ইমতিয়াজ মাহমুদের মতো সুন্দর করে বুঝিয়ে লিখো’। “আজি রজনীতে হয়েছে সময়, এসেছি বাসবদত্তা!”বাতাবী লেবুর গোড়ায় বল্মীকের প্রাসাদ, পাশে পুরনো ঘাসের গন্ধ আর একটা লাল ফিতে পড়ে রয়েছে। আজ বড়ো বৃষ্টি নেমেছে, কলকাতার রাস্তায় জলকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। পিরিয়ডিক ন্যাপকিনে জড়ানো গীতার পাণ্ডুলিপি কিছুতেই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।অসাধারণ ‌লাগততততেছে…লাহোরে সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে প্রশিক্ষনের অংশ হিসেবে আমাদের ঘোড়ায় চড়তে হত। সহিশ চন্নন খান বলতেন,কক্ষনো শিক্ষকের সামনে আর ঘোড়ার পেছনে যাবে না। শিক্ষক তিরস্কার করেন আর ঘোড়া লাথি মারে। কলকাতার টলিগঞ্জ ক্লাবে ডিনকুর ছেলে রওনাকের ঘোড়াটা এত বিশাল যে সামনে অনেক দূরে দাঁড়িয়েও নিরাপদ অনুভব করি নি।সামনা-সামনি এমন দুর্ধষ্য ঘোড়া আমি আগে কখনো দেখি নি। কই কেউ তো এখনো লালবাজারে মিসিং ডায়েরি করে নি…!আমগো পোলাপান ধানক্ষেতের মেসি, রোনালদো। আন্তর্জাতিক মানের মাঠ আর ভালো টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে পারলে ঘরে ঘরে রোনালদিনহো জন্ম নেবে।রক্তের সুরা হচ্ছে আরো গাঢ়; ও নদী! ভুলে যাও মরাল গ্রীবাজুড়ে কবে মাখিয়েছিলে রোদ্দুর, তার গান- আর খুব কলতান ভুলে এই জীবনে শ্বাসকষ্ট শুরু হলো।আহত পাখির গান শুকায়ে গেলে, চশমা জুড়ে বাষ্প আসে এতো, বিষ! জুড়ছে না জীবন, ছাড়ছে আশ, কী বল্লম বুকে…এই ছবি দেইখা তো আমিই আমার প্রেমে পড়ে যাইতেসি। চোখ কী শাইনি! চোখের ভেতর চাঁদ তারাও আছে… আমার চোখ গুলা যদি সত্যি এত্ত সুন্দর হইতো! আমার বিয়ে হয়েছিল মাত্র এক বছর, তারপর ডিভোর্স, আমি ওর সাথে কোনোদিনই শারীরিক হতে পারিনি সে অর্থে, আমি ওকে ঘেন্না করতাম।নিজের বিয়ে নিয়ে মেয়েদের স্বপ্ন থাকে অন্যরকম, যা ছেলেরা অনেক সময় বুঝতে বা কল্পনাও করতে পারে না। আমিও সেই ছেলেদের দলেই।বাঙাল তো কি হয়েছে বাপু, তা বলে আমাদের বংশে কখনো ওসব গাড়ু বা বদনা করে ডাল খাওয়ার নিয়ম চালু হয় নি।না তেমন কোনো কারণ নেই ঘেন্না করার, জানেন তো ও খুব ভালো রান্না করতে পারতো, ওর হাতের খাসি মাংসের ঝোল আমার ফেভারিট ছিল।কচুরিপানা সাতটি প্রজাতি আছে এবং এরা মিলে আইকরনিয়া গণটি গঠন করেছে। কচুরিপানা মুক্তভাবে ভাসমান বহুবর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা। পুরু, চকচকে এবং ডিম্বাকৃতির পাতাবিশিষ্ট কচুরিপানা পানির উপরিপৃষ্ঠের ওপর ১ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে ; এইটা আমার হারিকেন।ও প্রধানমন্ত্রীদা.. এসএসসি পর্যন্ত গ্রামে পড়াশোনা করেছি।রাতে এই হারিকেনের আলোয় পড়তাম।তাদের তো আমিও জিগাই, যারে ৩.৭৫ দিলেন, তারে চাকরি না দিয়া ৩.২৫-ওয়ালারে দিলেন ক্যান? কোনটা ঠিক? ৩.২৫, নাকি ৩.৭৫-ওয়ালা? যারে ৩.২৫ দিছেন তারে কি কম দিছিলেন? নাকি ৩.৭৫-ওয়ালারে বেশি দিছিলেন? রেজাল্টের পরে কি আচমকা মেধা বাড়ে-কমে?সিনেমাটি ভয়াবহ সুন্দর। পুঁজিবাদী ফাটকা ব্যবস্থার মধ্যে কীভাবে মানুষ ঠকিয়ে বিলিয়নর হওয়া যায়, কীভাবে সেই বিলিয়নর আবার আইকন হয় সেটাই সিনেমার মূল বিষয়। সিনেমাটিতে একটি রাজনৈতিক ডায়ালগ নেই। কিন্তু যারা খুব ভেবে চিন্তা সিনেমা দেখেন তারা বুঝবেন, এটি পুঁজিবাদ ব্যবচ্ছেদের অসাধারণ একটি সিনেমা। যারা বিপ্লব করবেন তারা এই সিনেমা দেখে পুঁজিবাদের দুর্বলতাগুলো নিয়ে কাজ করতে পারবেন। চাকরির বেলায় মেধা বাড়া-কমা নিয়া চমকাইতে হয়। কারণ তারা বলেন, অমুক তো সুপার ফাইন ভাইভা দিছে, শুনে টাস্কি খাইতে হয়। শুনে আমিও টাস্কি খাই… বেইনসাফি! ইনসাফ কায়েম করেন, মূল্যায়নের তরিকা পাল্টান… যার যা প্রাপ্য, তা-ই তারে দেন!কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই সব লাশ আমরা হজম করে ফেলি। তারপর অনেক অনেক দিন পর আরেকটা লাশ পড়ে।নুনটা, ঝালটা, মিষ্টিটা সব সব মেপে মেপে দিতো, ঈশ্বরকে মানুষ যেমন পুজো করে, ও তেমন ভাবেই রান্নাটা করতো, আর খুন্তি নাড়ার সময় পুরোনো বাংলা গান গুনগুন করে গাইতো….অসমের শোণিতপুর জেলার ঢেকিয়াজুলির কাছে আলিসিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল পালের মৃত্যু ঘটেছে ডিটেনশন ক্যাম্পে, তেজপুরে। মৃত্যুর পাঁচদিন পরেও তাঁর দেহ পড়ে আছে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপালের পেছনে ফুলে ভরা দুটো কাঞ্চন গাছের মাঝে, মর্গে। কেন? আমি সাধারণ মানুষ।অতি সাধারণ।ধরুন পৃথিবীতে আছে একশো টাকা।একশো জন লোক।দশ জনের হাতে আছে পঁচানব্বই টাকা।বাকি পাঁচ টাকা।নব্বই জন খাবে কিভাবে!গতকাল কিছু সাধুদের সংস্পর্শে গিয়েছিলাম লালনের ধামে। অবাক হয়ে সাধুদের মুখগুলো দেখছিলাম, কী ভীষণ শান্ত সব মুখ। দুনিয়ার কোন ধরনের উত্তেজনা তাদের ধারে কাছে যেন আসতে পারেনা।পাগল হয়ে গেলাম এদের হিন্দীঘেঁষা উচ্চারণের জালায়। এদের সঙ্গে ঠিক করে হিন্দী বলতে শুরু করলে ইংরেজিতে চেষ্টা করবে, তারপর তো আস্তে আস্তে…. অথচ কী সরল তাদের হাসিমাখা মুখ সব।আবার পৃথিবীতে ক্রমশ বাড়ছে এই পাঁচ টাকা কেড়ে নেওয়ারও প্রতিযোগিতা।ধনী দশ জনের প্রতিযোগিতা।আমি এভাবে শূন্যতে আছি।তোমরা নোবেল জয়ী। আজ দুপুরে বানালাম ১০টা নারকোলের নাড়ু…যারা বলেন এখনকার মায়েরা কিছু পারেনা… তারা একটু ভালো করে দেখুক..হে মহামানব সব,এই দশ জনের নব্বই টাকা একশো জনকে দাও।প্রয়োজনে কেড়ে নাও।পুনরায় সম্পদ বণ্টন হোক।গোড়া থেকে শুরু হোক অর্থনীতি।তোমাদের যে সূত্রে নোবেল,ঐ পাঁচ টাকার সাদা কাগজটি।আর কিছু অনাবাদী জমি নিয়ে।দুত্তুর কদিন হোলো শরীরটা ভালো নেই,, জ্বর, বমি, মাথাব্যথা,, আমাদের মা ছায়ের তাই মনমেজাজ ভালো নেই,, তাই দুত্তুর সাথে সারাদিন সময় কাটাচ্ছি,, ছবি তুলছি,, গল্প, আড্ডা, মারপিট সব চলছে….কস্তুরীর কৃতিত্ব।চুমু,কস্তুরী।সারারাত কেটে যাচ্ছে,কি মন্ত্রে,কি আনন্দে…পঁচানব্বই টাকার কোন সূত্র নেই কেন আপনাদের ?  একাই লড়েছিলুম ;কেউ বলেনি ‘হোক কলরব’;একাই নেমেছিলুম;ব্যাংকশাল কোর্টের সিঁড়ি বেয়ে;সেদিন একাই;কলকাতার পথে ঘুরেছিলুম;সকাল পর্যন্ত ; কোন হালায় কয় বাঙ্গালী গরীব ? ধানের থোর ধরলে মনে করা হয় ক্ষেতের লক্ষ্মী গর্ভবতী হয়েছেন। তাই তার সাধ দেওয়া হয় আশ্বিন মাসের শেষ দিনে। গর্ভবতী মহিলাদের যে সাধ দেওয়ার প্রচলন আছে সমাজে, তেমনি। “আশ্বিনে রাইন্ধি কাত্তিয়ে খায়, যেই বর মাগে হেই বড় হায়!” আশ্বিনে রান্ধুম কাত্তিয়ে খামু ;যে বর চামু সেই বর পামু! অন্নহীন ব্রাহ্মণের মত বাংলার আকাশ। ঝিমঝিমে দুপুর ;এক-দু’টুকরো মেঘ ছায়া ফেলে পেরিয়ে চলেছে নিম্ন-দামোদর ;একটু পরেই দিগন্তের দিকে ঢলে পড়বে রক্তসন্ধ্যামেঘ, শ্মশানের পাশে জ্বলে উঠবে ধুনি, কুলীনের সধবা-রমনী অশ্রু ঝরাবে একা অমোঘ চুল্লির থেকে পাকিয়ে উঠবে ধোঁয়া লালাভ স্ফূলিঙ্গ, বাচস্পতির বেড়া-ঘেরা টোলে কুলদেবতার হাসি। কোন দূরে ফরাসডাঙায় কৃষ্ণনগরে রাজার প্রাসাদে জ্বলবে ঝাড়ের বাতি। মাধুকরী ছেড়ে গৃহস্থের অন্নহীন দিনে ঢুকে পড়ে ভূর্জপত্র বুঝে নেবে কার নামে কাব্য শুরু হয়, কার দিকে বন্দনা ছোটে আমার বন্দনা তুমি প্রিয় অর্ধাঙ্গিনী, তুমি তো দেখেছ রোজ নিজেকে অর্ধেক করে আমি মুনশির কাছে যাই। বাকী অর্ধেক বাংলার মাঠঘাটে ক্ষুধিত হেঁসেলে ঘুরে ঘুরে মরে। কোথাও অন্নপূর্ণা নাই; এখন আরেক যন্ত্রণা । না চাইলেও কিছু দায়িত্ব এসেই পড়ে কাঁধে। শাশুড়ি মা বেঁচে থাকতে যা হয়তো হতোনা। যতই ভাবি, বলি তোমরা সবাই স্বাধীন এখন। ভোগ কর স্বাধীনতা যে যার মত। গুছিয়ে নাও যে যার সংসার । তবুও কেন জানি তা মানতে চায় না কেউ।তবে কি এই পরাধিনতা টুকুতেই শান্তি সবার ! নাই ভাইদের স্নেহ, লেখবার অবসর। শুধু অবনত শ্রাবণ-গারদ; ভাঁড়েদের উল্লাস, মোহরের ঝনঝন।যাউকগা, আজ সন্ধ্যায় মিসেস চ্যাটার্জী কষাইয়া কষাইয়া মাটন রান্না করিবেন বলিয়া মনস্থির করিয়াছেন। কারণ, তাহার ডাক্তারবাবু খুব সম্প্রতি উহাতে নিষেধাজ্ঞা বসাইয়াছেন। বারবার গৃহত্যাগ বারবার ঘরে ফিরে আসা। সারা দুনিয়া জেনে গেছে আমার দালায় প্রেম – ভালোবাসা টা হবেই না ;আমিও হার মেনে নিয়েছি কারণ সত্যি ওটা আমার টপিক নয়।কারণ গুলো এই যে – ন্যাকামি করবে প্রেমিক,যেটা আমার সবচেয়ে অপচ্ছন্দের ঠাস করে দুমদাম চড়িয়ে দেবো তারপর ছেলের মা এসে বলবে তুমি আমার বাবু কে মেরেছো? লে হালুয়া এসব ঝামেলায় আমি নেই বস। ঝোলাগুড়ে চিতইপিঠার নাহাল এ কলিজা খাবি খায়। বলছিলা ঘরের গল্প একখান, বলছিলা জোনাকি সাজানো ঘর। বাবুইয়ের বাসা লাট খায়। কী দিবা, কাকে দিবা, আমি বলতেছি শোনো, নদীপাড়ে শোক জমা হয়। তুমি বলো শোক নয়, পলিমাটি, চর। ঐ চরটুকু দিবা, ঐ পলিটুকু? দেহ দিছি, প্রাণ দিছি, রইয়া গ্যাছে সংসারখান, তুমার বিধায় লাগে আগুনের খাপরা লাহান ; চিক্খইর পাইড়া তাই ছুটসি তুমার পাছ পাছ, এ জনমে, তুমি সাঁই, যত দূর লইয়া যাও,… যাই…সারারাত শরীরে কালাজ্বর। মনে হয়েছে কেউ আমাকে বাক্স বন্দি জোঁকের ভিতর আঁটকে রেখেছে। গলা শুকিয়ে গেছল, একঢোঁক জল চেয়েছি জোঁকের কাছে। খুইট্যা টেঙর ; কিছু সত্যি কথা, কিছু ভয়ের কথা, কিছু অপমানের কথা, কিছু গ্লানির কথা বলছি আজ। আমার বিয়ে হয়েছিল মাত্র এক বছর, তারপর ডিভোর্স, আমি ওর সাথে কোনোদিনই শারীরিক হতে পারিনি সে অর্থে, আমি ওকে ঘেন্না করতাম।না তেমন কোনো কারণ নেই ঘেন্না করার, জানেন তো ও খুব ভালো রান্না করতে পারতো, ওর হাতের খাসি মাংসের ঝোল আমার ফেভারিট ছিল।ওদের কান নেই, শোনেনি আমার ডাক। এঁর এককালে টিউশনের রমরমা বাজার ছিল আমাদের স্কুলে। কানিং এবং বাতেলাবাজ হিসেবেই পরিচিতি ছিল। মুশকিল হচ্ছে, বাতেলাবাজ টিচারদের ছাত্ররা খুউব পছন্দ করে। কারণ বাকিরা নেসেসারিলি শুধু ভয়ই দেখান। সমব্যথী বোতল নিজেই এগিয়ে এসেছে, কম্পনরত হাত তবু খুলতে পারেনি ছিপি ;এই যে এক ফোঁটা ঘর। বাড়ি জানালা যমুনামায়ের দু’ফোঁটা বালক। এই তো নিরীহ বালিকা দরজা। ভোর হয়ে এলো দুগগাপুজার হুল্লোড়।একটু ঘিয়ে ভাজা মুরগি, একটু ঘিয়ে ভাজা আলু, একটু ঘিয়ে ভাজা অ্যাস্পারাগাস ;গরিবের লাঞ্চ ;ঠিক এইখানেই তোমার বাড়ি। এখানে ঘুম ডাকো তুমি। জাগো প্রাণায়াম থেকে। তারাদের উচ্চারণে কথা বলো। এখানেই নদীটির সিঁথি। সিঁদুরখেলার প্রতিমা।আরো ভাল লাগল, সোজাসাপ্টা বললেন, নিজেদের কেরিয়ার পড়াশুনা নিয়ে থাকতেন, ছেলে নিজের কত পড়াশুনা বা অন্যান্য কাজ করেছে। মায়েরও যে নিজস্ব জগত, আইডেন্টিটি থাকতে পারে, আর সেটা যে রেঁধেবেড়ে সংসারকে খাওয়ানোর বাইরেও অন্য কিছু করার আছে, সেটা এত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। দু:খ, এসব বোঝাতে হল সেই সাংবাদিককে যিনি আবার কিনা মহিলাই। স্টিরিওটাইপিং, তোমার শেষ যে না পাই!! তো আমি জানি ঘটনা, পাশে থাকার সুবাদে উনার কিন্নর কণ্ঠের বজ্রনিনাদ আমি কী দিনে, কী রাতে শুনি ডেইলি। এই তো গেল ভাবি, ভাইয়ের ভাষা শুনলে আগে ছাদের তালা ভাঙতে মন চায়, তারপর উপ্রেত্থে লাফ দিয়া পইড়া মইরা যাইতে মন চায়।

 

About anubadak

আমি একজন অনুবাদক । এতাবৎ রেঁবো, বদল্যার, ককতো, জারা, সঁদরা, দালি, গিন্সবার্গ, লোরকা, ম্যানদেলস্টাম, আখমাতোভা, মায়াকভস্কি, নেরুদা, ফেরলিংঘেট্টি প্রমুখ অনুবাদ করেছি ।
This entry was posted in Avant Garde Story and tagged . Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s